Friday, February 23, 2024
Homekolkataরাজভবনের রেসিডেন্সিয়াল এলাকার নিরাপত্তায় রয়েছে CRPF, পুলিশকে সরানোর নির্দেশ! রাজ্য জুড়ে...

রাজভবনের রেসিডেন্সিয়াল এলাকার নিরাপত্তায় রয়েছে CRPF, পুলিশকে সরানোর নির্দেশ! রাজ্য জুড়ে তোলপাড়

কলকাতা পুলিশকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘর্ষে নতুন মোড়। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় প্রশাসন পর্যন্ত।
রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘর্ষে নতুন মোড়। রাজভবনের রেসিডেন্সিয়াল এলাকা ও গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে পুলিশকে সরানোর নির্দেশ। রাজভবন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা ৫০ জন পুলিশকর্মীকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে CRPF। রাজভবনে পুলিশি নজরদারির অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, রাজভবনের তরফে গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে জানানো হয়েছে। এমনকী রাজ্য প্রশাসনকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে খবর।রাজভবনে যে এলাকায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস থাকেন, সেখানে পুলিশি নজরদারির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে ওই এলাকায় দুই পুলিশকর্মীকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে, বলে খবর। সেই কারণে পুলিশকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ বলে জানা গেছে। রাজভবন সূত্রে খবর, পুলিশের ‘সন্দেহজনক’ গতিবিধির কথা জানিয়ে বুধবারই রাজ্য প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তারপর রাজভবনের এই সিদ্ধান্ত রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘর্ষে নতুন দিকে মোড় নিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।রাজভবনের তরফে এই নির্দেশ আসার পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই পদক্ষেপকে সঠিক বলে মনে করছে বিজেপি। অন্যদিকে আবারো রাজ্যপালের নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত সঠিক, আরও আগে নেওয়া উচিত। পুলিশের উপর রাজ্যপাল বা শাসকদল, কারোরই আস্থা নেই। এই রাজ্যের মন্ত্রী রাজ্যপালকে সাদা হাতি, ভ্যাম্পায়ার বলে কটাক্ষ করেছেন। বিধায়কদের দিয়ে রাজ্যপালকে হেনস্থার চেষ্টা করেছে শাসকদল। সেখানে এই ধরনে পদক্ষেপ মোটেই অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজ্যের পুলিশ শাসক দলের হাতিয়ার। রাজ্যপালের পুলিশের উপর আস্থা না থাকাটাই স্বাভাবিক।’অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, ‘মোদী-শাহ কোম্পানির উচিত রাজ্যপাল পদটাই তুলে দেওয়া। যেখানে বিরোধী দলের সরকার রয়েছে, সেখানে তাদের হেনস্থা করতে এই পদকে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যপাল সমান্তরাল প্রশাসন চালানোর চেষ্টা করে নির্বাচিত সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছেন। রাজভবনের যাবতীয় খরচ পশ্চিমবঙ্গ সরকার বহন করে। সেখানে বসে তিনি রাজ্যের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। রাজ্যপালের সৌজন্যে এই রাজভবন বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে।’রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ থেকে শুরু করে ধূপগুড়ির নব নির্বাচিত বিধায়কের শপথ, একাধিক ইস্যু রাজভবন-নবান্ন সংঘর্ষ চরমে উঠেছে। এদিনের এই পদক্ষেপ সেই সংঘর্ষকে আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

RELATED ARTICLES
Html code here! Replace this with any non empty raw html code and that's it

Most Popular